1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : annagilliam :
  3. [email protected] : test2246679 :
  4. [email protected] : test25777112 :
  5. [email protected] : test29576900 :
  6. [email protected] : test34936489 :
  7. [email protected] : test44134420 :
  8. [email protected] : test46751630 :
  9. [email protected] : test8373381 :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ শিশু শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে হলি উইলস স্কুলে শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ নারায়ণগঞ্জে ১৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন : ৮৪৪ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল, চেয়ারম্যান পদে ৬৪ জন আইভীর ই-ট্রেড লাইসেন্স গলার কাঁটা: ৩ মিনিটের সেবা পাচ্ছে না ৩ দিনেও নৌকার জন্য মরিয়া আতংকগ্রস্থ আইভী ! বন্দরের পাঁচটি ইউপি নির্বাচন: স্থানীয় এমপিকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ বিটিভির নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আতাউর রহমানকে সংবর্ধণা দিয়েছে বন্দর প্রেসক্লাব র‌্যাব-১১ এর অভিযানে রূপগঞ্জ হতে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ চাঁদাবাজ গ্রেফতার বন্দরে ৪৭তম বর্নাঢ্য জশনে জুলুস উদযাপিত : রাস্ট্রীয়ভাবে মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালনের সরকারী সিদ্ধান্তে সুন্নী মুসলমানদের বিজয় হয়েছে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন কুতুবপুরের নৌকার মাঝি মনিরুল আলম সেন্টু 

নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগীর মৃত্যু : ভুল তথ্যের কারনে হিন্দু ব্যাক্তিকে দাফন!

টেলিগ্রাফ রিপোর্ট:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩১৫ বার

হাসপাতালে মারা যাওয়া করোনা রোগীর পরিবারকে বা রোগীকে নিয়ে আসা ব্যাক্তিকে খবর না দিয়েই ‘করোনার ভয়ে রোগীর পরিবার লাশ নিতে চাচ্ছেনা’ জানিয়ে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতাল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। লাশ কবর দেয়া হলেও যিনি মারা গেছেন তিনি হিন্দু। হাসপাতাল কতৃপক্ষের এমন দায়িত্ব জ্ঞানহীন অবহেলায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবুল নামের মৃত এ করোনা রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা নারায়ণগঞ্জের গোগনগর ইউপি সদস্য সৈকত হোসেন জানান, মৃত্যুর পরপর হাসপাতাল কতৃপক্ষ আমাদের জানালে আমরাই তার সৎকারের ব্যবস্থা করতাম।

 

নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতালকে বর্তমানে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রুপান্তর করা হয়েছে। গত শনিবার সকালে এ হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা করোনা রোগী বাবুল মারা যান। শনিবার দুপুরে হাসপাতালের সুপারইনটেনডেন্ট ডাঃ এম এ বাশার জানান, হাসপাতালের এন্ট্রি খাতার তথ্যানুযায়ী মৃত রোগীর নাম বাবুল। বয়স পঞ্চাশ। সৈকত নামের একজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। ফতুল্লার সৈয়দপুর এলাকায় তার বাড়ি। সেসময় তিনি জানান, হাসপাতালে ভর্তীর পর থেকে তার আত্মীয়রা কেউ খোঁজ নেয়নি। মৃত্যুর পর তার পরিবারকে জানানো হলেও করোনা রোগী হওয়ায় তারা লাশ নিতে চাচ্ছেনা। তাই লাশ দাফনের জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকুকে জানানো হয়েছে।

 

হাসপাতাল সুপার খবর দেয়ার পর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু, সিটি কর্পোরেশনের দাফন টিম এসে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করে। কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু জানান, যেহেতু হাসপাতালের রেকর্ডে মৃতকে মুসলমান হিসেবে উল্লেখ করা হয় তাই আমরা লাশ দাফনের ব্যবস্থা করি। এছাড়া গোসলের সময় মৃতকে খতনা করা দেখতে পাই।

 

তবে মৃত বাবুল দাসকে হাসপাতালে নিয়ে আসা নারায়ণগঞ্জের গোগনগর ইউপি’র ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য সৈকত হোসেন জানান, বাবুল চন্দ্র দাস ছয় বছর ধরে আমাদের এলাকার খোকন মন্ডল খোকার দোকানে দর্জী হিসেবে কাজ করতো। নিজ পরিবারের সাথে যোগাযোগ নেই বললেই চলে। তাই সে দোকানেই ঘুমাতো। হোটেলে খেতো। গত বুধবার সে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা তাকে মহাখালি নিয়ে যাই চিকিৎসা করাতে। সেখানে তাকে পরীক্ষা করে দেখে যে তার করোনা পজিটিভ। এরপর তাকে গত ১৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতালে এনে ভর্তী করি। ভর্তীর সময়ই আমরা তার নাম বাবুল চন্দ্র দাস বললেও তার পুরো নাম লেখা হয়নি। গত রোববার আপনার কাছ থেকেই (এই প্রতিবেদক) প্রথম আমরা তার মৃত্যুর খবর পাই। পরে যখন হাসপাতাল থেকে আমাকে ফোন দেয়া হয় তখন লাশ দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার মৃত্যুর পরপর যদি আমাদের ফোন দিতো তাহলে আমরা হাসপাতালে গেলে লাশ হিন্দু না মুসলিম তা সনাক্ত হতো। আর তার লাশ সৎকারের ব্যবস্থা আমরাই করতাম। বাবুলের খতনা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি হিন্দু হলেও তার খতনা করা ছিলো।

 

মৃত বাবুল দাসের সাথে তার স্ত্রীর ১০-১৫ বছর ধরে সম্পর্ক নেই বলে জানান তার মেয়ে কৃষ্ণা রানী দাস। তিনি কুমিল্লার মতলব উপজেলার লবারকান্দিতে থাকেন। টেলিফোনে তিনি জানান, অন্তর নামের তার এক ভাই রয়েছে। তার বাবা যার দোকানে কাজ করতেন সেই খোকন মন্ডলের কাছ থেকেই তিনি তার বাবার মৃত্যুর খবর পান। হাসপাতালের কেউ তাকে তার বাবার মৃত্যুর খবর জানায়নি। তিনি জানান, লকডাউনের কারনে তার পক্ষে নারায়ণগঞ্জ আসা সম্ভব না। তার বাবা যে এলাকায় থাকতেন তিনি-ও সেখানকার সবার সহয়তা নিয়েই সৎকারের ব্যবস্থা করতেন।

 

রোববার বিকেলে হাসপাতাল সুপার ডাঃ বাশারের সাথে আবার যোগাযোগ করা হলে তিনি জোর দিয়েই বলেন, বাবুল করোনা পজিটিভ এটি জানার পর থেকেই তার পরিবার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। যেদিন বাবুল মারা যান সেদিন বারবার তার পরিবারকে ফোন দেয়া হয়। কিন্তু তাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। তারা লাশ গ্রহন না করায় পরে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে দাফন করা হয়। তিনি জানান, লোকটি মুসলমান। তিনি আরো বলেন, তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলেই এ কনফিউশন তৈরী হয়েছে। হাসাপাতাল থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়নি- এমন অভিযোগের ব্যপারে তিনি বলেন, আমাদের নার্স ডাক্তাররা বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com