1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : annagilliam :
  3. [email protected] : test2246679 :
  4. [email protected] : test25777112 :
  5. [email protected] : test29576900 :
  6. [email protected] : test34936489 :
  7. [email protected] : test44134420 :
  8. [email protected] : test46751630 :
  9. [email protected] : test8373381 :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ শিশু শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে হলি উইলস স্কুলে শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ নারায়ণগঞ্জে ১৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন : ৮৪৪ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল, চেয়ারম্যান পদে ৬৪ জন আইভীর ই-ট্রেড লাইসেন্স গলার কাঁটা: ৩ মিনিটের সেবা পাচ্ছে না ৩ দিনেও নৌকার জন্য মরিয়া আতংকগ্রস্থ আইভী ! বন্দরের পাঁচটি ইউপি নির্বাচন: স্থানীয় এমপিকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ বিটিভির নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আতাউর রহমানকে সংবর্ধণা দিয়েছে বন্দর প্রেসক্লাব র‌্যাব-১১ এর অভিযানে রূপগঞ্জ হতে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ চাঁদাবাজ গ্রেফতার বন্দরে ৪৭তম বর্নাঢ্য জশনে জুলুস উদযাপিত : রাস্ট্রীয়ভাবে মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালনের সরকারী সিদ্ধান্তে সুন্নী মুসলমানদের বিজয় হয়েছে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন কুতুবপুরের নৌকার মাঝি মনিরুল আলম সেন্টু 

নারায়ণগঞ্জ হেফাজতের আমীরের পদে থাকতে অনীহা মাওলানা আউয়ালের!

টেলিগ্রাফ রিপোর্ট:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ৩৮ বার

হরতাল ইস্যুতে মহানগর নেতাদের অতি বাড়াবাড়ি ও পরদিন দোয়া মাহফিল ভিন্নস্থানে করার অভিযোগ এনে আমীরের পদে থাকতে অনীহা প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ এর আমির মাওলানা আবদুল আউয়াল। হেফাজতের নেতৃত্বে নয়, একজন কর্মী হিসেবে থাকবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

 

সোমবার (২৯ মার্চ) ডিআইটি মসজিদে শবেবরাতের রাতে বয়ানের সময় তিনি এ কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ২৮ মার্চ রোববার  হরতালের দিন সকালে মসজিদে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, ডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছুটে আসেন। ফজরের পর থেকে মসজিদের গেটের সামনে তিনটি কামান, সাজোয়া যান পুলিশের গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে রাখেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আমাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন মিছিল বের করতে চাইলে অ্যাকশনে যাবেন। প্রয়োজনে গুলি খাবেন। তখন আমি সকলের জানমালের স্বার্থে মসজিদের গেটের বাইরে যেতে বারণ করি। কারণ আমাদের তো অস্ত্র নাই। যদিও অনেক আবদার করেছি, চেষ্টা করেছি কিন্ত মসজিদ থেকে বের হতে পারি নাই। বের হতে দেয় নাই। এখন শুনতেছি  চিটাগং রোডে ১৭ টি গাড়ি পুড়ছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় সন্ত্রাসী লোকজন পুড়ছে। আমাদের ছাত্ররা পুড়ে নাই। এখন তারা বলতেছে আপনি যদি আমাদের কথা না মানতেন তাহলে  ১৭টি গাড়ি পোড়ানোর মামলায় এক নাম্বার আসামী হতেন আপনি। আমরা যাবো কোথায়? তারাও আমাদের বুঝতে চায় না, আমাদের অতি উৎসায়ী লোকজনও বুঝে না।

 

ওদিকে যারা বলতেছে হুজুরের কমান্ড ভেঙ্গে তারা গেলো না কেন? আমি বলছি আল্লাহরয়াস্তে আমি আর তোমাদের হেফাজতের দল করবো না। আমি মসজিদে থাকবো। ভবিষ্যতে আর নেতৃত্ব দিব না। মসজিদ মাদ্রাসা নিয়েই থাকবো। সরাসরি নেতৃত্বে আর যাবো না, যাবো না, যাবো না।

 

তিনি আরও বলেন, আমি একবার নিষেধ করেছি। তোমরা যারা অতিউৎসায়ীওয়ালা আছো তোমরা করো। আমার এখন বার্ধক্য বয়স। অসুস্থ মানুষ, হাটতে পানি না, দাঁড়াতে পারি না।  এখন কথাও ঠিকমত বলতে পারি না। আমি আর হেফাজতের নেতৃত্ব দিবো না। আন্দোলনের নেতৃত্ব না আমি কর্মী হিসেবে যতদিন বেঁচে থাকি, থাকবো। নেতৃত্বের মধ্যে নাই। সরাসরি জানিয়ে দিতেছি। সাংবাকিক সম্মেলন করে ঘোষণা দিবো, আমি আর হেফাজতের নেতৃত্বে নাই।  এবং তারা আমার এই কথাগুলোতে উপেক্ষা করে আজকে ( সোমবার ২৯ মার্চ) আছর নামাজের পর দোয়ার কথা ছিল এইখানে (ডিআইটি মসজিদ) । তারা এইখানে না করে দেওভোগ মাদ্রাসায় দোয়া করেছে। তাহলে অটোমেটিক আমাকে সাইড করে দিয়েছে। তারা বলে এমন নেতা (আব্দুল আউয়াল) দিয়ে চলবে না। আমি নেতৃত্ব ছেড়ে দিলাম। আমি আর নেতৃত্ব দিয়ে কাজ করবো না। আমি ইস্তেফা দিয়ে দিবো। আমার আমিরের পদ দরকার নাই। একজন সাধারণ মুসলমান হিসেবে যতদিন বেঁচে থাকি ততদিন হেফাজতের কর্মী হিসেবে থাকবো। আমি আর ডাকবো না, অন্যান্য যারা আছে তারা ডাকবে আপনারা তাদের ডাকে আসবেন।

 

মাওলানা আউয়াল বলেন, তারা আমাকে মাইনাস করে বলতেছে কেনো আমি ব্যারিকেড ভেঙ্গে তাদের নিয়ে মসজিদ থেকে বের হলাম না। যদি রোববার আমি ব্যারিকেড ভেঙ্গে বের হতাম তাহলে আজকে দেখতেন ডিআইটি মসজিদ ভেঙ্গে ঝাঝরা হয়ে গেছে। যখন গোলগুলি শুরু হতো তাহলে এখানে লাশ পড়ে যেত কয়েকটা। আর ডিআইটি মসজিদের গ্লাস একটাও থাকতো না। তখন আইভীও বলতো অন্যরাও বলতো আব্দুল আউয়ালকে সরাতে হবে। এখানে তাকে রাখা যাবে না। তার কারণে মসজিদ আক্রান্ত হয়েছে। সে এখানে থেকে গন্ডগোল করে। যদি লাশ পড়তো। আপনারা লাশের পক্ষ নিয়ে বলতে এটা কোন নেতৃত্ব?  কে নেতৃত্ব দিয়েছে মায়ের বুক খালি কইরা। তোমাকে কে নেতৃত্ব দিতে বলছে। ওই সময় আপনারা সব এই কথা বলতেন। এখন আমি কোন দিকে যাবো? এখন আমার একটাই রাস্তা আমি জিম্মাদার ছেড়ে দিলাম। তোমরা যে কোন একজন জিম্মাদারীর কাজ করো। আমার পক্ষ থেকে আর কোন ঘোষনা আসবে না।  ব্যক্তিগত কাজে যদি কাউকে ডাকি সেটা  সংগঠনের পক্ষ থেকে না। সরাসির দেশবাসীকে তা জানিয়ে দিলাম। এবং সাংবাদিক সম্মেলন করে পদত্যাগ করবো। যারা জোয়ান আছে যুবক আছে তাদের নেতৃত্ব দিয়ে কাজ করো। আমি তোমাদের সাথে থাকবো।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com