1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test2246679 :
  3. [email protected] : test29576900 :
  4. [email protected] : test44134420 :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কঠোর বিধি নিষেধ: দ্বিতীয় দিন চলছে গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিলেন পথের সময় সম্পাদক তৌকির রাসেল আড়াইহাজারে কোভিড-১৯ টেষ্টের নামে প্রতারণা,র‌্যাব-১১ এর অভিযানে গ্রেফতার ১ যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট রোটারী ক্লাব অব ডান্ডি ও তিলোত্তমা নারায়ণগঞ্জ জয়েন প্রজেক্টের কোমলমতী শিশুদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরীফ,পাঞ্জাবী-হিজাব ও টুপি প্রদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে প্রচুর জ্ঞান আহরন করতে হবেঃ বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ রশিদ কোন মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে বাদ না পড়ে, সেভাবে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জে করোনা : ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১৯২জন

নবীজির নবুয়তপ্রাপ্ত হওয়ার শুরুর দিনগুলো

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
  • ৮৭ বার

ইসলাম আগমনের আগেও কোরাইশরা রমজানে মূর্তি পূজা ছেড়ে পাহাড়ে গিয়ে ইবরাহিমি ধর্মমতে ইবাদত-বন্দেগি করত। রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও প্রতিবছর রমজানে নির্জনে আল্লাহর ইবাদত করতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বয়স ৪০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী রমজানে তিনি নবুয়তপ্রাপ্ত হন। (সিরাতে ইবনে হিশাম, পৃষ্ঠা ৫৩)

নবুয়তের আগে মহানবী (সা.)-এর মনে মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়। ফলে তিনি একাকিত্ব বেছে নেন এবং এ সময় তিনি সত্য স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর কাছে সর্বপ্রথম যে ওহি আসে, তা ছিল নিদ্রাবস্থায় স্বপ্নরূপে। যে স্বপ্নই তিনি দেখতেন তা একেবারে প্রভাতের আলোর মতো প্রকাশিত হতো। অতঃপর তাঁর কাছে নির্জনতা পছন্দনীয় হয়ে দাঁড়ায় এবং তিনি ‘হেরা’র গুহায় নির্জনে অবস্থান করতেন। আপন পরিবারের কাছে ফিরে এসে কিছু খাদ্যসামগ্রী সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার আগে—এভাবে সেখানে তিনি এক নাগাড়ে বেশ কয়েক দিন ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। অতঃপর খাদিজা (রা.)-এর কাছে ফিরে এসে আবার একই সময়ের জন্য কিছু খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যেতেন। এভাবে ‘হেরা’ গুহায় অবস্থানকালে তাঁর কাছে ওহি এলো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী রচয়িতারা বলেন, মহানবী (সা.) নবুয়তের আগে ছয় মাস একান্তে ইবাদত ও ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। এ সময় তিনি ইবরাহিমি ধর্মানুসারে ইবাদত-বন্দেগি করতেন। হেরাগুহাতেই তিনি বেশির ভাগ সময় অতিবাহিত করেন। মূলত এ সময়কালে আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-কে নবুয়তের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। যেন তিনি ওহির ভার বহনে সক্ষম হন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করছি গুরুভার বাণী।’ (সুরা মুজ্জাম্মিল, আয়াত : ৫; হাদায়িকুল আনওয়ার ওয়া মাতালিউল আসরার, পৃষ্ঠা ১২০)

শৈশব থেকে বিভিন্ন নিদর্শন প্রকাশ পাওয়া এবং একাধিক পণ্ডিত ব্যক্তিত্বের ভবিষ্যদ্বাণী থাকার পরও মহানবী (সা.) নবুয়ত লাভের আশা পোষণ করতেন না। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি আশা করোনি, তোমার ওপর কিতাব অবতীর্ণ হবে। এ তো শুধু তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনো অবিশ্বাসীদের সহায়ক হয়ো না।’ (সুরা কাসাস, আয়াত : ৮৬)। তবে নবুয়তের সময় ঘনিয়ে এলে তিনি অদৃশ্যের আওয়াজ শুনতে পেতেন। গাছ, তরুলতা ও পাথর তাঁকে সালাম প্রদান করত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি মক্কার একটি পাথরকে চিনি, যেটি নবুয়ত লাভের আগেই আমাকে সালাম করত। আমি এখনো সেটিকে চিনতে পারি।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২২৭৭)

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com