1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test2246679 :
  3. [email protected] : test25777112 :
  4. [email protected] : test29576900 :
  5. [email protected] : test34936489 :
  6. [email protected] : test44134420 :
  7. [email protected] : test46751630 :
  8. [email protected] : test8373381 :
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউন্সিলর পদে খান মাসুদকে সমর্থন দিলেন বাবুপাড়া পঞ্চায়েত কমিটি নাসিক ২২নং ওয়ার্ড এর তরুণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খান মাসুদকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ র‍্যালীবাসী শ্রমিকরা ভাল থাকলেই দেশ ভাল থাকবে : পলাশ খেলাধুলা যুব সমাজ রক্ষা করার মূল হাতিয়ার : কাউন্সিলর দুলাল প্রধান আল- আরাফাহ’ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বন্দর থানা শাখার দুস্তদের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ শ্রমিক নেতা পলাশের নির্দেশনায় নন্দলালপুরে ডাইং শ্রমিকদের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে সভা করলেন পিয়াস আহম্মেদ সোহেল   “নারায়ণগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন”এর আত্মপ্রকাশ,সভাপতি জুয়েল,সম্পাদক সৈকত আসছে বিরাট পরিবর্তন:নির্যাতিত-ত্যাগী হবেন প্রার্থী তারেক জিয়ার নির্দেশে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে চিরতরে শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল : এড. শহীদ বাদল নাসিক ২৪ নং ওয়ার্ডে বিট পুলিশিং কমিটির মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

বক্তাবলীতে আলোচিত চার বাল্কহেড শ্রমিক হত্যা মামলায় ২ আসামীর ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

টেলিগ্রাফ রিপোর্ট:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৮ বার

প্রায় একযুগ পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে আলোচিত চার বাল্কহেড শ্রমিক হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদ- ও নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭ আদালতের বিচারক মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন তিন আসামির উপস্থিতিতে এই আদেশ দেন।

এ ছাড়া যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদ- দেয়া হয়েছে।

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- বাল্কহেডের দুই ফিডারম্যান (ইঞ্জিনমিস্ত্রি) তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন-চাঁন মিয়া, দুলাল মিয়া, মজিবর, জলিল, আবদুল মান্নান, আরিফ, সাইফুল ইসলাম এবং ইব্রাহিম।

মামলায় ১২ আসামির মধ্যে জলিল, সাইফুল, দুলাল এবং ইব্রাহিম নামের চারজন এখনও পলাতক রয়েছেন এবং শফিকুল ইসলাম নামে একজন আসামি ইতিপূর্বে মারা গেছেন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ দিকে, রায় ঘোষণার পর আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন আসামিদের স্বজনরা। রায়ের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, এটা দীর্ঘ দিনের পুরোনো মামলা ছিলো, নদী পথে ডাকাতি করতে গিয়ে খুন। এই মামলায় ডাকাতদের বহু কষ্টে ধরা হয়েছিলো। পূর্বের পিপিরা মামলার যে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে কেউ খুজে পাচ্ছিলো না। গত মাসে যখন আমার কাছে মামলার দায়িত্ব দেয়া হলো, নৌ পরিবহনের শ্রমিক নেতার সাহায্যে আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা খুজেঁ, সাক্ষী করেছিলাম এবং আজকে সেই রায় হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আদালতের এই ভালো একটি রায়ে বাদিপক্ষ সন্ত¡ষ্ট হয়েছে।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহপরাণ নামের বাল্কহেড সিলেট থেকে পাথরবোঝাই করে মুন্সিগঞ্জে একটি সিমেন্ট কারখানায় যায়। সেখানে পাথর খালাস করে ২১ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটি ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে থেমে যায়।

 

পরে বাল্কহেডটি মেরামত করার জন্য এর চালক দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনকে ফোন করে ডেকে আনেন। মেরামত শেষে বাল্কহেডটি সচল হলে দুই ফিডারম্যান সেটি পরীক্ষা করার কথা বলে রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ডাকাতদের যোগসাজশে বক্তাবলীর চরে নিয়ে থামিয়ে দেয়। ওইদিন রাতের কোনও এক সময় দুই ফিডারম্যান সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে চালক নাসির মিয়া, কর্মচারী (মাঝিমাল্লা) মংগল, ফয়সাল ও হান্নানকে হাত পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। পরে মেঘনা নদী থেকে হাত পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় চালক নাসির এবং মাঝিমাল্লাদের মধ্যে মঙ্গলের লাশ উদ্ধার হলেও ফয়সাল ও হান্নান নামের অপর দুই শ্রমিক (মাঝিমাল্লা) নিখোঁজ থাকেন। পরে বাল্কহেডটি বক্তাবলীর চর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশ জব্দ করে।

এ ঘটনার পরদিন ২০০৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটির মালিক এরশাদ মিয়া ফতুল্লা থানায় বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনসহ সাত আসামিকে গ্রেফতার করে। পরে আসামিরা হত্যাকা-ের বর্ণনা দিয়ে ও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক বদরুল আলম আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ ১২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত যুক্তিতর্ক ও ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এই রায় প্রদান করেন।

এদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামিদের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কার্তিক চন্দ্র দাশ জানান, ন্যায়বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com