1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test2246679 :
  3. [email protected] : test25777112 :
  4. [email protected] : test29576900 :
  5. [email protected] : test34936489 :
  6. [email protected] : test44134420 :
  7. [email protected] : test46751630 :
  8. [email protected] : test8373381 :
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউন্সিলর পদে খান মাসুদকে সমর্থন দিলেন বাবুপাড়া পঞ্চায়েত কমিটি নাসিক ২২নং ওয়ার্ড এর তরুণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খান মাসুদকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ র‍্যালীবাসী শ্রমিকরা ভাল থাকলেই দেশ ভাল থাকবে : পলাশ খেলাধুলা যুব সমাজ রক্ষা করার মূল হাতিয়ার : কাউন্সিলর দুলাল প্রধান আল- আরাফাহ’ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বন্দর থানা শাখার দুস্তদের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ শ্রমিক নেতা পলাশের নির্দেশনায় নন্দলালপুরে ডাইং শ্রমিকদের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে সভা করলেন পিয়াস আহম্মেদ সোহেল   “নারায়ণগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন”এর আত্মপ্রকাশ,সভাপতি জুয়েল,সম্পাদক সৈকত আসছে বিরাট পরিবর্তন:নির্যাতিত-ত্যাগী হবেন প্রার্থী তারেক জিয়ার নির্দেশে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে চিরতরে শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল : এড. শহীদ বাদল নাসিক ২৪ নং ওয়ার্ডে বিট পুলিশিং কমিটির মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

টেলিগ্রাফ রিপোর্ট:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১০১ বার

১৪ ডিসেম্বর,শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে নিলনকশা প্রনোয়নের মাধ্যমে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বাঙালির চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে ঘটে মর্মান্তিক হত্যাযজ্ঞ। তারা বেছে বেছে অসংখ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিককে হত্যা করে।

তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে ও মদদে এক শ্রেণির নরপিচাশ, দালাল এই হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। পাকিস্তানী বাহিনীর অস্ত্র সহায়তা নিয়ে তাদেরই ছত্রছায়ায় আলবদরের ক্যাডাররা এই পৈচাশিক ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালির কাছে পরাজয় আসন্ন জেনে জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের পরিকল্পনা করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে স্বজনের লাশ খুঁজে পায়। বুদ্ধিজীবীদের নিথর দেহজুড়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কারও কারও শরীরে একাধিক গুলি, অনেককে হত্যা করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে। লাশের ক্ষতচিহ্নের কারণে অনেকেই তাদের প্রিয়জনের মরদেহ শনাক্ত করতে অনেক বেগ পেতে হয়।সেদিন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ,১৩ জন সাংবাদিক,৪৯ জন চিকিৎসক,৪২ জন আইনজীবী ও অন্যান্য ১৬ জনকে নৃশংস ও নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

সেদিন যাদের হত্যা করা হয়েছিল:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ।

সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী,সেলিনা পারভীন। এছাড়া শিল্পী আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার,মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরও অনেককে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

২০১৬ সালের ১১ মে মুক্তিযুদ্ধচলাকালে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের নীলনকশা বাস্তবায়নকারী গুপ্তঘাতক আলবদর বাহিনীর প্রধান ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির দন্ড কার্যকর হয়। তবে বুদ্ধিজীবী হত্যায় সরাসরি জড়িত চৌধুরী মইনুউদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান পলাতক থাকায় তাদের বিচার এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় দিবসটি পালন করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com