1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : annagilliam :
  3. [email protected] : antonioligon :
  4. [email protected] : dexterarnott :
  5. [email protected] : kaseyhartwell1 :
  6. [email protected] : pimgiuseppe :
  7. [email protected] : test114192 :
  8. [email protected] : test15530113 :
  9. [email protected] : test18644919 :
  10. [email protected] : test2246679 :
  11. [email protected] : test25777112 :
  12. [email protected] : test27772429 :
  13. [email protected] : test28072043 :
  14. [email protected] : test29576900 :
  15. [email protected] : test34936489 :
  16. [email protected] : test35340289 :
  17. [email protected] : test37141039 :
  18. [email protected] : test3734843 :
  19. [email protected] : test41175725 :
  20. [email protected] : test43179736 :
  21. [email protected] : test44134420 :
  22. [email protected] : test45570592 :
  23. [email protected] : test46751630 :
  24. [email protected] : test8373381 :
  25. [email protected] : wpuser_lfudhofinnhh :
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি : মেয়র আইভী  নারায়ণগঞ্জে করোনা বাড়ছে,২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১৩৭ রোটারী ক্লাব অব তিলোত্তমা এবং ডান্ডির যৌথসভা অনুষ্ঠিত প্রজ্ঞাপন: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা “এশিয়া বুক অব রেকর্ড” এর স্বীকৃতি পেল টিম খোরশেদ নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির অধীনে থাকা ১০ ইউনিট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন রূপগঞ্জে রংধনু গ্রুপের উদ্যােগ ১০ হাজার মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ টাকা বিতরণ নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ নিরঙ্কুশ জয়লাভ নবনির্বাচিত মেয়র আইভীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর ফতুল্লা থানা বিএনপির শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬ তম জন্মবার্ষিকী পালন

আজ জেলহত্যা দিবস

টেলিগ্রাফ রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৮ বার

আজ জেলহত্যা দিবস । বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্কময়, রক্তঝরা ও বেদনাবিধুর দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিন (আজ ৩ নভেম্বর) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিভৃত প্রকোষ্ঠে বন্দি অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মধ্যরাতে কারাগারের ভেতরে এমন জঘন্য ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। সেদিনের ওই ঘটনা দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব স্তম্ভিত হয়েছিল।

জেল হত্যার পরদিন তৎকালীন উপকারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তবে দীর্ঘ ২১ বছর এ বিচার প্রক্রিয়াকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর এ মামলায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মতিউর রহমান মামলার রায় দেন। রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দিন (পলাতক), দফাদার মারফত আলী শাহ (পলাতক) ও এলডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধাকে (পলাতক) মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিন আহমেদসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। সাবেক মন্ত্রী কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহেরউদ্দিন ঠাকুরকে খালাস দেয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট ২০০৮ সালে মোসলেমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি মারফত আলী ও হাসেম মৃধাকে খালাস দেন।

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধুর দুই খুনি কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার এ পরিকল্পনা করেন। এ কাজের জন্য তারা আগে ভাগে একটি ঘাতক দলও গঠন করে। এ দলের প্রধান ছিল রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন। সে ছিল ফারুকের সবচেয়ে আস্থাভাজন অফিসার। ১৫ আগস্ট শেখ মনির বাসভবনে যে ঘাতক দলটি হত্যাযজ্ঞ চালায় সেই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলেহ উদ্দিন।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থনী মাসকারেনহাস তার ‘বাংলাদেশ অ্যা লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরপরেই জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনাটি এমন ভাবে নেয়া হয়েছিল পাল্টা অভ্যুথান ঘটার সাথে সাথে যাতে আপনা আপনি এটি কার্যকর হয়। আর এ কাজের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি ঘাতক দলও গঠন করা হয়।

এই ঘাতক দলের প্রতি নির্দেশ ছিল পাল্টা অভ্যুথান ঘটার সাথে সাথে কোন নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে তারা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করবে। পচাঁত্তরের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটানোর পরেই কেন্দ্রীয় কারাগারে এই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com