1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : annagilliam :
  3. [email protected] : pimgiuseppe :
  4. [email protected] : test2246679 :
  5. [email protected] : test25777112 :
  6. [email protected] : test29576900 :
  7. [email protected] : test34936489 :
  8. [email protected] : test44134420 :
  9. [email protected] : test46751630 :
  10. [email protected] : test8373381 :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জরায়ু মুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংএ নারায়গঞ্জের প্রথম স্থান অর্জন দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্যজন মাহমুদ সাজ্জাদ সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা, নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে এবং দ্রুত বিচার দাবিতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন  আবারো নৌ-পুলিশ ও ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে নিখোঁজ বাল্কহেড উদ্ধার  এনায়েতনগর ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী সমাজ সেবক রফিকুল ইসলাম রফিক এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ের ৮টি ইউপি’র নির্বাচন: আওয়ামী লীগের নতুন ৪ ও ৪টিতে পুরাতন মুখ আইভীর মিথ্যাচারে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ক্ষোভ আইভীর সম্প্রীতির কর্মসূচী সুপার ফ্লপ,আসেনি মূলধারার কেউই,হারিয়েছেন গণমানুষের সমর্থন! দলীয় নেতারা চুনোপুটি, রাঘব বোয়াল আইভী,উচ্চাবিলাসী আর বেঁফাস কথাবার্তা !

চাষাড়া বোমা হামলায় শহীদদের অসম্মান করেছেন আইভী: কামরুল হাসান মুন্না

টেলিগ্রাফ রিপোর্ট:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৯ বার

‘মেয়র আমার ভাইকে স্মরণ করেছে, তার জন্য ধন্যবাদ দেয়া উচিত। কিন্তু আমি দিতে পারছি না বলে দুঃখিত। কারণ, তিনি যদি সত্যি বোমা হামলায় নিহত শহীদের সম্মান দিতেন, তাহলে ধন্যবাদ দিতে পারতাম। তিনি তো উল্টো বিএনপি-জামাত সুরে কথা বলে চাষাড়া বোম হামলা নিয়ে মিথ্যাচার করলেন, শহীদদের অসম্মান করলেন’।

 

সম্প্রতি ২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর এক বক্তব্যে মর্মাহত হয়ে দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কামরুল হাসান মুন্না।

 

২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলায় যে ২০ জন নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সাইদুল ইসলাম বাপ্পী। তিনি ছিলেন শহর ছাত্রলীগের সভাপতি। তৎকালীন এমপি শামীম ওসমানের একনিষ্ট কর্মী হিসেবেই পরিচিতি ছিলো তার। নিহত সেই বাপ্পীর ছোট ভাই কামরুল হাসান মুন্না। যিনি ১৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।

 

ভাই হারানোর ব্যাথায় কাতঁর কামরুল হাসান মুন্না বলেন, ‘মেয়র আইভী তো বোমা হামলায় নিহত পরিবারদের জন্য কিছু করেনি। বোমা হামলার ঘটনাস্থলে নির্মিত শহীদ বেদি, নাম ফলকটুকু যতœ নেন না। আমরা শহীদ পরিবার অবাক হই, আজ এতো বছর পর এসে ওনি ওই ন্যক্কারজনক হামলার তথ্য বিকৃতি করছেন। মেয়র আইভী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হয়ে কি ভাবে পারলেন বিএনপি-জামাতের সুরে ওই হামলা নিয়ে কথা বলতে?’

 

কামরুল হাসান মুন্না ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি শহীদদের স্মৃতি বিজরিত নাম ফলকের পাশে যে ভাবে টয়লেট নির্মান করেছেন, কার ইশারায় করেছেন, কাদের খুশি করতে দিয়েছেন? ওনি শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করেছেন। সেই দিনের ওতো গুলো তাজা প্রানের নির্মমতা নিয়ে ওনি কী উপহাস করছেন?

 

এবছর ১৬ জুন বোমা হামলা দিবসে শহীদ মিনারে তালা মেরে রাখার ঘটনা উল্লেখ করে কামরুল হাসান মুন্না বলেন, ‘মেয়র আইভীর এখনকার মিথ্যাচার, শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বাধা সৃষ্টি সব যেন এক সূত্রে গাঁথা। মেয়র আইভ কী করে বুঝবে নিষ্ঠুর হামলায় স্বজন হারানোর ব্যাথা। সে দিনের শহীদদের পাশাপাশি আজও যারা আহত হয়ে বোমার স্প্রিন্টারের যন্ত্রনা নিয়ে বেঁচে আছেন তাদের প্রতিও মেয়রে অবজ্ঞা শুধু কস্টকর নয়, লজ্জারও।’

 

২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাড়া আওয়ামী লীগ অফিসে ভয়াবহ বোমা হামলা কারা কি কারণে চালিয়েছিলো তা দেশবাসী ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে সকলেই অবগত। সেই ভয়াবহ বোমা হামলার উদ্দেশ্যই ছিলো শামীম ওসমানকে হত্যা করা। নারায়ণগঞ্জের বোমা হামলায় নেতৃত্ব দেয়া দুই ভাই মোস্তাকিন ও মুত্তাকিন ভারতে গ্রেফতার হয়ে বোমা হামলার কথা স্বীকার করেছে। তারা এও স্বীকার করেছে শামীম ওসমানকে কর্মী সমর্থকসহ হত্যার উদ্দেশ্যেই এই ভয়াবহ বোমা হামলা চালানো হয়েছিলো। কিন্তু বোমার স্পিন্টারে ক্ষতবিক্ষত হলেও শামীম ওসমান সে যাত্রায় বেঁচে যাওয়ায় তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। বোমা হামলার পর দিন খোকন সাহা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় (একটি বিস্ফোরক অন্যটি হত্যা) ২৭ জনকে আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করেন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঘটনায় নিহত চা দোকানি হালিমা বেগমের ছেলে আবুল কালাম বাদী হয়ে শামীম ওসমান, তার ভাই নাসিম ওসমান, সেলিম ওসমান সহ আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৫৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে একটি মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত এ মামলাটি খারিজ করে দেন।

 

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ১৮ নং ওয়ার্ডের একটি সড়কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী চাষাড়া বোমা হামলায় নিহত সাঈদুল হাসান বাপ্পীকে স্মরন করে বলেন, ‘বেঁচে থাকলে সে হয়তো অনেক বড় নেতা হতো। কিন্তু অনেকের চক্ষুশূল হওয়ার কারনে সে আমাদের মাঝে নাই’।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com