বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুটি এয়ার লাইন্সে সমানভাবে সোমবার ৭৫ জন, মঙ্গলবার ১৫০ জন, বুধবার ১৪৩ জন, বৃহস্পতিবার ৭৫ জন এবং রোববার ১০০ জন করে যাত্রী বহন করতে পারবে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স এবং কুয়েত এয়ার লাইন্স।

 

কিন্তু কখন কোন দিন থেকে ফ্লাইট চালু হবে এই বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ না করায় এখনও কুয়েত বাংলাদেশ সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেনি এয়ার লাইন্স কর্তৃপক্ষ।

 

এদিকে ছুটিতে গিয়ে দেশে আটকা পড়া অনেক প্রবাসী উচ্চ মূল্য দিয়ে সৌদি, তুর্কি, বাহারাইন হয়ে ট্রানজিট বিমানে কুয়েতে প্রবেশ করছেন।

 

ট্রানজিট বিমানে কুয়েতে প্রবেশ করছেন মোহাম্মদ সেলিম, সাইদুল মোল্লা সহ কয়েকজন সমকালকে বলেন, কুয়েত সরকারের সব আইন ও নিয়ম কানুন মেনেই তারা কুয়েত প্রবেশ করেছেন এতে তাদের কোনো সমস্যা হয়নি।

 

বাংলাদেশে আটকা পড়া প্রবাসীদের উদ্দেশে তারা বলেন, যাদের আকামার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, তারা যেন সরাসরি ফ্লাইট চালুর অপেক্ষা না করে কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টা করেন।