1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test2246679 :
  3. [email protected] : test25777112 :
  4. [email protected] : test29576900 :
  5. [email protected] : test34936489 :
  6. [email protected] : test44134420 :
  7. [email protected] : test46751630 :
  8. [email protected] : test8373381 :
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আইভী ব্যর্থ,নগরবাসীর কাছে প্রমানিত: এড. শাখাওয়াত হোসেন খান কবি কন্ঠে কবিতা পাঠ ও রুপান্তর রৌদ্রছায়া সাহিত্য সম্মাননা ২০২১ অনুষ্ঠিত আলীরটেকে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহম্মেদ বাহাউদ্দিন নাসিমের মা’র রুহের মাগফেরাত কামনায় কাউন্সিলর দুলাল প্রধানের মিলাদ ও দোয়া আমি এমন কাজ করে যেতে চাই যেনো মৃত্যুর পরেও লোকে বলে একজন ভালো মানুষ ছিলেন : ২২নং ওয়ার্ডে তরুণ কাউন্সিলর প্রার্থী খান মাসুদ দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নৈতিকতাসম্পন্ন ছাত্র সমাজের বিকল্প নেই : ফতুল্লা ইশা ছাত্র আন্দোলন র‌্যাব-১১ এর পৃথক অভিযানে রূপগঞ্জ হতে ১ মাদক ব্যবসায়ী এবং ডাকাতি মামলার ১ পলাতক আসামী গ্রেফতার সিদ্ধিরগঞ্জের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত নাসিক ২২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে খান মাসুদকে কোর্টপাড়া পঞ্চায়েত কমিটির পূর্ণ সমর্থন এবার বঙ্গবন্ধুর ভুল শুধরানোর ভূমিকায় মেয়র আইভী!

গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ৩৭ বার

ঢাকা(২৪ জুলাই, ২০২১)গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই। করোনার কাছে হেরে গেলেন এই প্রথীতযশা শিল্পী। ফকির আলমগীর শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

তিনি এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এই বরেণ্য শিল্পীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় খিলগাঁও পল্লীমা সংসদ প্রাঙ্গনে ফকির আলমগীরের প্রথম নামাজে জানাজা হবে। দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ জোহর খিলগাঁও মাটির মসজিদ প্রাঙ্গণে। এরপর খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে।

ফকির আলমগীর ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় দিনটিতে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মো. হাচেন উদ্দিন ফকির, মা বেগম হাবিবুন্নেসা। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ইউনাইটেড হাসপাতালের গণমাধ্যম কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান শুভ জানান, ১৮ জুলাই থেকে ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন ফকির আলমগীর। এর আগে করোনা পজিটিভ হওয়ায় ১৫ জুলাই রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কভিড ইউনিটে ভেন্টিলেশনে থাকা অবস্থায় ফকির আলমগীরের হার্ট অ্যাটাক হয়। রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে ইউনাইটেড হাসপাতালের কভিড আইসিইউ ইউনিটের ইনচার্জ ডাক্তার আমিনা সুলতানা শিল্পী ফকির আলমগীরের মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ফকির আলমগীর কালামৃধা গোবিন্দ হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

ফকির আলমগীর ষাটের দশক থেকে সংগীত চর্চা করেছেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি বাঁশীবাদক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিল। বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তার গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যোগ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন –সংগ্রামে এবং ’৬৯-এর গণ –অভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। গণ– অভ্যুথান, ’৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০– এর সামরিক শাসন বিরোধী গণ –আন্দোলনে তিনি শামিল হয়েছিলেন তার গান দিয়ে। ’৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দ সৈনিক হিসেবে যোগ দেন।

ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ফকির আলমগীরের গাওয়া ‘ও সখিনা’ গানটি এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে। ১৯৮২ সালের বিটিভির ‘আনন্দমেলা’ অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলে। কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি গানটির সুরও করেছেন ফকির আলমগীর। এ ছাড়া তার গাওয়া ‘সান্তাহার জংশনে দেখা’,  ‘বনমালী তুমি’  ‘কালো কালো মানুষের দেশে’, মায়ের একধার দুধের দাম’, ‘আহারে কাল্লু মাতব্বর’, ‘ও জুলেখা’সহ বেশ   কিছু গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

তিনি বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি, জনসংযোগ সমিতির সদস্যসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়। এ ছাড়াও তিনি ‘শেরে বাংলা পদক’, ‘ভাসানী পদক’, ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার’, ‘তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক’, ‘জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক’, ‘কান্তকবি পদক’, ‘গণনাট্য পুরস্কার’, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মহাসম্মাননা’, ‘ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার’, ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র’, ‘জনসংযোগ সমিতি বিশেষ সম্মাননা’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিশেষ সম্মাননা’ ও ‘বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ’ লাভ করেন। (বাসস)

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Telegraphnews24.com
Theme Dwonload From telegraphnews24.Com